চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত মুক্তি দাবি করেছেবাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য।

0
48

 

রোববার রাতে লন্ডন স্কুল অব কমার্স এন্ড আইটি’র অডিটোরিয়ামে‘কারাবন্দি খালেদা জিয়া ও বাংলাদেশের গণতন্ত্রেরভবিষ্যত’ শীর্ষক এক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদশেসম্মলিতি পশোজীবী পরষিদ যুক্তরাজ্যরে আহ্বায়ক ড. কে এম মালিক এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তারিক বিন আজিজ
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতিরউপদেষ্টা মোখলেছুর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিকসম্পাদক মাহিদুর রহমান ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এমালেক।

প্রধানবক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদযুক্তরাজ্যের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন,খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়নেত্রী এবং তিনি বাংলাদেশের তিন তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।তিনি আজ কারাগারে।খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য, বাংলাদেশেরমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য তিনি জীবনের বেশির ভাগ সময়সংগ্রাম করেছেন।রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বর্শবর্তী হয়ে এক নিষ্ঠুরঅবিচারের শিকার।তিনি বলেন,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেঘিরে মনে হয় সরকার এক ভয়াল চক্রান্তজাল বুনছে। জরাজীর্ণ ওপরিত্যক্ত কারাগারে তাঁকে দীর্ঘদিন বন্দি করে রাখার অশুভনীলনকশার আলামত দেখা যাচ্ছে।বেগম খালেদা জিয়াকে আইনিপ্রক্রিয়ায় মুক্ত করতে সরকার বাধা দিচ্ছে। বহুত্ত্ববাদ দেশ থেকেঝেটিয়ে একক কর্তৃত্বের শাসন প্রলম্বিত করার জন্যই গণতন্ত্রকেচূড়ান্তভাবে সমাহিত করে ফেলতেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগমখালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।দেশনেত্রীকে এভাবে বন্দিকরে রাখার একটাই উদ্দেশ্য গণতন্ত্রকে চূড়ান্তভাবে কবর দিয়ে দেয়া।কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আর্ন্তজাতিক ফোরাম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তারাঅবলিম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন।

পেশাজীবী নেতারা বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্রের অর্থ লেনদেনেবিএনপি চেয়ারর্পাসন বেগম খালদো জিয়া ও সিনিয়র ভাইসচেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোন ধরণের সম্পৃক্ততা দেখাতে পারেনিআদালত।কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের ও তারেকরহমানকে দশ বছররে কারাদন্ড দেওয়া হলো। এই ঘটনার মাধ্যমেআইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গাটি ধ্বংস করে দেয়াহয়েছে বলে পেশাজীবীরা মনে করেন।

তাদের মতে,আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দল আওয়ামীলীগের এজেন্ডা অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।বেগম খালেদা জিয়ার এই কারাবন্দীত্ব বাংলাদশেরে গণতন্ত্রকেনতুনভাবে সংকটে ফেলেছে।প্রিয় বাংলাদেশকে র্সাবভৌমত্বহীন করারচক্রান্তকে আরেকধাপ এগিয়ে নিতে স্বাধীনতা ও র্সাবভৌমত্বের প্রতীকজিয়া পরিবারকে জেল-জুলুমের মুখোমুখি করা হয়েছে দাবি করেউদ্বেগ জানান সম্মেলিত পেশাজীবী পরিষদ নেতারা।

আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আখতার মাহমুদ, জাতীয়তাবাদীআইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমানটিপু,সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান,যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতিশাহিন আহমেদ,সাংবাদিক মেজবাহ উল ইসলাম বাবু,ড. আব্দুসসবুর,কামরুল ইসলাম,সাবেক ছাত্রনেতা মাছুম বিল্লাহ,মো:মাহবুবুররহমান,সরফরাজ সরফু,কমিউনিটি লিডার মাইনুদ্দিনআহমেদ,এমদাদ হোসেন খান,আল ফেরদৌস,ইঞ্জিনিয়ার জাকিরুলইসলাম কাবেরী,একাউনটেন্ট মামুন ভূইয়া,ডা. সুমনআহমেদ,যুবদলের সহ সভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাসিত,সাবেকছাত্রনেতা এস এম বদরুল ইসলাম,মাওলানা শামীমআহমেদ,মনিরুজ্জামান মানিক,যুব দলের দপ্তর সম্পাদক মোশারফহোসাইন,যুগ্ন সম্পাদক সুহেদুল হাসান,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন সম্পাদক জিয়াউর রহমান,জাহাঙ্গীর আলম শিমু,যুব দলের আইন সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ,সাবেক ছাত্র নেতা পারভেজ আহমেদরাকিব,মইনুল ইসলাম,মনসুর,মহসিন মিয়া,শহীদুল্লাহ,হাদিউলইসলাম,বেলাল হোসাইন,আল ফেরদৌস,তারেকুল ইসলাম ভূইয়াঁপ্রমুখ

বক্তারা আরো বলেন, কেউ বাংলাদেশে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেই তাকে গ্রফেতার করে মিথ্যামামলায় জড়িয়ে দেওয়ার এক স্বৈরাচারী চালু করেছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।হামলা-মামলা এবং কারান্তরীণ করে গণতন্ত্র মুক্তরিআন্দোলনকে ব্যাহত করা যাবে না বলে তারা হুশয়িারি দেন।

বেগম খালেদা জিয়াকে যে কথিত র্দুনীতি মামলায় জেল দেয়া হয়েছেতাতে প্রকৃতপক্ষে কোনো অর্থ তছরূপের প্রমাণ মেলেনি বলে দাবিকরেন পেশাজীবী নেতারা।তারা বলনে,ব্যাংকের টাকা ব্যাংকেইআছে।শুধু একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে গেছে।এসবএকাউন্টের সাথে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কোনোসর্ম্পক নেই।প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নামেও কোনো তহবিল সংগ্রহকরা হয়নি।এটা ছিল পুরোপুরি ট্রাস্ট কেন্দ্রিক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here