গ্রেনেড হামলার ঘটনায় খালেদারও বিচার চান কাদের

0
17

আরবিএন রিপোর্ট

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিচার এবং তারেক রহমানের ফাঁসি দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৬৪ ধারায় মুফতি হান্নান বলেছিলেন— তারেক রহমানের অনুমতি নিয়েই তারা হামলা করেছিল।

কাদের বলেন, আমরা তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি আশা করেছিলাম। তিনি বলেন, ‘২১ আগস্টের ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় মদদে সরকারি জঙ্গি হামলা। ওই সময়ে দায়িত্বরত সেনা গেয়েন্দা সংস্থার প্রধানের ভাষ্য থেকে একথা পরিষ্কার খালেদা জিয়া এ হামলা সম্পর্কে অবগত ছিলেন। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল রাষ্ট্রীয় পাপ। আমরা খালেদা জিয়ারও বিচার দাবি করছি।’

এ মামলায় উচ্চ আদালতে আপিল করবেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা এ রায়ে অখুশি নই, তবে পুরোপুরি সন্তুষ্টও নই। আমরা ন্যায়বিচার চেয়েছি। আমরা বিচারকে কখনো প্রভাবিত করিনি। আমরা মনে করি এটি ভালো রায়। আদালতকে ধন্যবাদ জানাই, তবে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।

তিনি বলেন, ১৪ বছর পর ইতিহাসের বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর এমন জিঘাংসামূলক ঘটনা আর ঘটেনি। ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জজ মিয়া নামক নাটক সাজিয়েছে বিএনপি। সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বলতে চাইলেও তাকে ফ্লোর দেয়া হয়নি। বিএনপি নেতারা তখন এ হামলা নিয়ে হাস্যরস করেছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ২১ আগস্ট সম্পর্কে মির্জা ফখরুল যা বললেন তা দেশের মানুষের কাছে হাস্যকর। কেন আপনারা আলামত নষ্ট করলেন? কেন ধুয়ে মুছে সব পরিষ্কার করে ফেললেন? বিচারপতি জয়নাল আবেদিন তদন্তের নামে কি তামাশা করেছিলেন! তিনি বলেছিলেন এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী দেশ জড়িত। তবে জাতির কাছে আজ সত্য প্রকাশিত হয়েছে। সত্য ধামাচাপা দেয়া যায় না।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, আহমদ হোসেন, সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি, রেমন্ড আরেং প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here