অনঢ় সরকার ও নির্বাচন কমিশন

0
707

অলিউল্লাহ নোমান

অনঢ় সরকার ও নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফা সংলাপেও সরকার ঐক্যফ্রন্টের কোন দাবীতে সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনও সায় দেয়নি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অনুরোধে। অনঢ় রয়েছে তফসিল ঘোষনার বিষয়ে। আগামীকালই নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। যদিও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছিল তফসিল ঘোষনা আপাতত স্থগিত রাখার জন্য। আপাত দৃষ্টিতে একটি নিষ্ফল সংলাপ ও নিষ্ফল অনুরোধ নির্বাচন কমিশনে।

এদিকে সরকারের অনুগত জাতীয় পার্টি ও যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনকে পাল্টা অনুরোধ জানিয়েছে। তারা দাবী জানিয়েছে নির্ধারিত সময়ে তফসিল ঘোষনার জন্য। তফসিল ঘোষণা কোন অবস্থায় না পেছানোর জন্য তারা অনুরোধ করেছে এই দু’টি দল। এনিয়ে ঐক্যফ্রন্টের পুরো বিপরীতে অবস্থান নেয় যুক্তফ্রন্ট এবং জাতীয় পার্টি। তারা সরকারের সহায়ক ভুমিকা পালন করছে মাত্র।

তফসিল ঘোষণার পর দেশে নির্বাচনী ডামাঢোল শুরু হয়। এটাই বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি। তফসিলের পর থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দেশব্যাপি একটি উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজমান থাকে। এবার চিরচেনা সেই উৎসবের চিত্র দেখা যাবে, নাকি আন্দোলনের সানাই বেজে উঠবে সেটা দেখা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। যদি আবারো ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের মত পরিবেশ তৈরি হয় তাহলে জাতি বঞ্চিত হবে একটি নির্বাচনী উৎসব আমেজ থেকে। যদিও এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীন। তবে শঙ্কা এখনো কাটেনি।

ইতোমধ্যে ৬ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভা থেকে একটি মৃদু কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সেটা হচ্ছে,তফসিল ঘোষণা স্থগিত না রাখলে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা। সরকার ৭ দফা না মানলে রাজশাহি অভিমুখে রোডমার্চ। ঘোষিত মৃদু কর্মসূচি পর্যন্ত আপাতত অকেক্ষা করতে হবে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ দেখার জন্য। এই দুই কর্মসূচি কি রুপ ধারণ করে সেটাও দেখার বিষয়।

সংলাপ দিয়ে কোন ফায়দা আসেনি অতীতেও:
দেশের ইতিহাসে ঘটা করে সংলাপ হয়েছিল ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে। তখনো দেশ স্বাধীন হয়নি। এক্যবদ্ধ পাকিস্তানের নির্বাচনের পর এই সংলাপ হয়েছিল সরকার গঠন ও সামরিক শাসনের অবসানের প্রক্রিয়া নিয়ে। সংলাপে এক দিকে বসলেন শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতারা। অপর দিকে ছিলেন সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান ও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে সংখ্যা গরীষ্ঠ আসনে বিজয়ী জুলফিকার আলী ভুট্রোর। সেই সংলাপে কোন ফলাফল আসেনি। বলা হয়ে থাকে, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সংলাপের আড়ালে আক্রমনের প্রস্তুুতি চুড়ান্ত করতে ব্যস্ত ছিল। সংলাপ ছিল তখন সময় ক্ষেপনের একটি পদক্ষেপ মাত্র। তাইলে এবারো কি সংলাপে সংলাপে তফসিল ঘোষনারে আগে অন্তিম মূহুর্তে কিছুটা সময় ক্ষেপন হল!
সর্বশেষ আমরা সংলাপ দেখেছি ২০০৬ সালে। রাজনৈতিক বিরোধ তখন তুঙ্গে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তৎকালীন বিরোধী জোট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কে এম হাসানকে মানবে না। তখন সংবিধান অনুযায়ী তারই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসাবে শপথ নেওয়ার কথা। কিন্তু তাদের সেই দাবী আদায়ে কি ঘটেছিল ২৮ অক্টোবর তা সবারই জানা। এর আগে জ্বালাও পোড়াও কম হয়নি।

তারা তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তাদের মূল দাবী ছিল কে এম হাসান ও নির্বাচন কমিশনার এম এ আজিজকে তারা কোন অবস্থায় মানবে না। যদিও এম এ আজিজের অধিনে মাত্র একটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়েছিল তখন। চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছিল। তারপরও তারা এম এ আজিজকে মানবে না। এতে ছিল অরঢ়। শেষ পর্যন্ত সংলাপে বসেছিলেন সরকারি জোটের মহাসচিব আবদুল মান্নান ভুইয়া ও বিরোধী জোটের মহাসচিব আবদুল জলিল। সংলাপের জন্য তখন নিরপেক্ষ ভ্যানু খোজা হয়েছিল। সর্বশেষ তারা বেঁচে নেন জাতীয় সংসদের একটি কক্ষ। সরকারী দল বা বিরোধী দলের নেতা কক্ষ নয়। একটি নিরপেক্ষ কক্ষে বসে তারা সংলাপ করেছেন কয়েক দিনব্যাপি। কিন্তু সেই সংলাপের শেষ দিনে দুই নেতা পেছনের দরজা দিয়ে সংসদ ভবন ত্যাগ করেছিলেন। কেউ সেদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি পর্যন্ত হননি।

উল্টা রথে এবারের সংলাপ:
এবারের সংলাপটি ছিল ঠিক উল্টো রথে। সাধারণত কোন আন্দোলন তুঙ্গে থাকলে সংলাপের প্রসঙ্গ আসে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়। অতীতে বারবার দেখা গেছে সরকার সংলাপের প্রস্তাব করে। তখন বিরোধী দল থেকে দাবী উঠে আগে সংলাপের পরিবেশ তৈরি হউক। সরকারকে পরিবেশ তৈরি করে প্রমান করতে হবে সংলাপ চায়। এরকম কথা শোনা যেত বিরোধী জোটের নেত্রী বা নেতাদের মুখে। যতবারই সরকার প্রস্তাব করত আসুন সংলাপে বসি। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুজি। ততবারই বিরোধী জোটের নেতা নেত্রীর মুখে উচ্চারিত হত সরকারকে পরিবেশ তৈরি করে প্রমান করতে হবে তারা সংলাপ চায়। সমাস্যার সমাধান চায়।

অতীতে সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের আহ্বানের জবাবে বিরোধী জোটকে আরেকটি বিষয় বলতে শোনা যেত। সেটা হচ্ছে আগে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা দাবী মেনে নিয়েছে। তারপর সংলাপে বসে আলোচনা হবে কি পদ্ধতিতে সামনের নির্বাচন করা যায়। সেটা নিয়েই কেবল আলোচনা হতে পারে সংলাপে। এরকম বক্তব্য আসত তখন বিরোধী দলের পক্ষ থেকে।

এবারের সংলাপের আগে দেখা গেছে ঠিক উল্টা রথ। সরকার নয়, বিরোধী জোট নেতা ড. কামাল হোসেন সংলাপে জন্য চিঠি দিয়েছেন। দাবী মানার কোন বিষয় নয়। ৭ দফা নিয়ে আলোচনা করতে চায় তারা। সরকার সেই চিঠি কবুল করেছেন। চিঠি কবুল করার আগেই কিছু বার্তাও দিয়েছে সরকার। বিরোধী জোটের ৭ দফা দাবীর মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে ২০ দলীয় জোট নেত্রীসহ রাজনৈতিক মামলায় আটকদের মুক্তি। অথচ সংলাপে বসার আগের দিন বিরোধী জোট নেত্রীর কারাদন্ড হাইকোর্টে ডাবল করা হয়েছে। জেলাজজ আদালতে ছিল ৫ বছর। হাইকোর্টে সেটাকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। যা সুপ্রিমকোর্টের ইতিহাসে কোন নজির নেই। এই নজিরবিহীন ঘটনার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এক নম্বার দাবীটিকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে সংলাপে বসার আগের আগের দিন।

অপরদিকে জাতি আরেকটি বিষয় দেখেছে। বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেছেন, সংলাপের পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কোন কর্মসূচি তারা দেবেন না। সুতরাং এবারের সংলাপটি যে একেবারেই উল্টারথে চড়েছিল তা বোঝা যায় আচরণে এই বৈপরীত্যের মাধ্যমে। একদিকে একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নজিরবিহীনভাবে কারাদন্ড বাড়ানো, বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি চলছে বেপরোয়া গতিতে। অপরদিকে বিরোধী জোট থেকে বলা হচ্ছে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে না। এতে বুঝতে কারো বাকী থাকার কথা নয় সংলাপে কি ঘটবে। ঘটেছেও তাই। সংলাপ অতীতের ইতিহাসকে অতিক্রম করতে পারেনি। সংলাপের ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়ই পরিণতি লাভ করছে।

কি ঘটতে পারে সামনের দিন গুলোতে:
আগামীকাল নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার বিষয়ে দৃঢ় নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষনা হলে সরকার দলীয় জোট এবং তাদের মিত্র যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনের পথে হাটবে। ইতোমধ্যেই তাদের চুড়ান্ত প্রস্তুুতি চলছে। বিরোধী জোট রোডমার্চ ও নির্বাচন কমিশনে পদযাত্রার পর হয়ত: নতুন কর্মসূচি দিলে দিতেও পারে। আবার তারা নির্বাচনের পথেও হাটতে পারে। দাবী আদায়ের জন্য কঠোর কোন কর্মসূচির কথা তাদের মুখে এখনো শোনা যায়নি। দায়সারা বক্তব্যে এসেছে দাবী আদায়ের জন্য তারা চেষ্টা করবে। তাদের সেই চেষ্টার গতি প্রকৃতি কি হবে সেটা বোঝা যাবে কর্মসূচি ঘোষনার পর। তবে সরকার যে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সামনে আগাচ্ছে সেটা প্রতিটি পদক্ষেপ দেখেই অনুমান করা যায়।

আবারো কি একটি এক তরফা নির্বাচন:
সরকারের আচার আচরণে মনে হচ্ছে বিএনপিকে বাইরে রেখে একটি নির্বাচন চায় সরকার। তবে ২০১৪ সালের মত নয়। এবার তারা আগেই সঙ্গে নিয়েছে যুক্তফ্রন্ট এবং সঙ্গে রয়েছে তাদের মিত্র জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টি আগেই ঘোষনা করেছে বিএনপি নির্বাচনে গেলে তারা আওয়ামী জোটের অন্তর্ভুক্ত হয়ে নির্বাচন করবে। আর বিএনপি নির্বাচনে না গেলে তারা ৩০০ আসনে ভোট করবে। তার মানে তাদের মতলবটা এখানেই বোঝা যায়। সরকারের একটি পরিকল্পনার অংশই বলে দিয়েছে জাতীয় পার্টি।

এদিকে বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষেই বেশি ঝোক রয়েছে। নির্বাচন যাওয়ার পক্ষে যারা রয়েছেন তাদের যুক্তি হচ্ছে, ভোটের দিন মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে আসলে সরকার সেটা সামাল দিতে পারবে না। মানুষ তখন ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে। প্রশাসন তখন নীরবতা পালন করতে বাধ্য হবে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন গুলোতে সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল। সারা দেশে একদিনে জাতীয় নির্বাচন হলে সরকার এতটা শক্তি দেশব্যাপি প্রয়োগ করার সুযোগ থাকবে না। এতে তখন বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যপ্রন্ট বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে। এছাড়া নির্বাচনে গিয়ে শক্তিশালি বিরোধী দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারলেও নেতাকর্মীদের উপর মামলার চাপ অন্তত কমবে।

নির্বাচনে না যাওয়ার পক্ষেও একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। বিএনপি’র একটি অংশ চাচ্ছে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া মানে আগামী ৫ বছরের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে বৈধতা দেওয়া। যদি শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে যেতে হয় তাইলে ২০১৪ সালে গেল না কেন! বরং তখন গেলে নির্বাচনের ফলাফল ভিন্ন হওয়ার সুযোগ ছিল। এখণ শেখ হাসিনা আগের চেয়ে বেশি নিজের শক্তি প্রশাসনে সুসংহত করেছে। শেষ ৫ বছরে শেখ হাসিনার নিজের মত করে আরো বেশি সাজিয়ে নিয়েছেন। সুতরাং তাঁর অধীনে নির্বাচনে গিয়ে লাভের চেয়ে লোকসান বেশি হবে।

ধাপে ধাপে অগ্রসর হচ্ছেন শেখ হাসিনা:
শেখ হাসিনার প্রধান রাজনৈতিক শ্রত্রু বিএনপি। তাই তাঁর টার্গেট ছিল বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্ব। তথা শহীদ জিয়াউর রহামনের পরিবার। ক্ষমতার শুরুতেই শহীদ জিয়াউর রহমানের ষ্মৃতি বিজড়িত বাড়ি থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বিঘেœ উচ্ছেদ করতে সক্ষম হয়েছেন শেখ হাসিনা। এতে তাঁর কর্মসূচি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াকে আরো সাহস যুগিয়েছে। তাই ধাপে ধাপে শেখ হাসিনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এবং বিএনপি’র বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনকে নির্বাচনে অযোগ্য করতে সক্ষম হয়েছেন।

শেখ হাসিনার হাতে এখন আরেকটি কর্মসূচি প্রক্রিয়াধীন। সেটা হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিজের দলের নেতৃত্বের সঙ্কটে ফেলা। সেটাও একধাপ এগিয়েছে। ইতোমধ্যে অনুগত হাইকোর্ট থেকে একটি আদেশ ইস্যু হয়েছে নির্বাচন কমিশনের প্রতি। নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে বিএনপি’র সংশোধীত গঠনতন্ত্র যাতে অনুমোদন করা না হয়। সংশোধীত গঠনতন্ত্রে বিএনপি ৭মা ধারাটি বিলুপ্ত করেছে। এতে বলা ছিল ফৌজদারি মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত কেউ দলের কোন পর্যায়ে নেতৃত্বে থাকতে পারবে না। সুতরাং নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র সংশোধন অনুমোদন না করলে কিছুটা হলেও নৈতিক বিপাকে পড়বে বিএনপি। তখন আজান দিয়ে বলা হবে বিএনপি নিজের গঠনতন্ত্রই নিজেরা মানে না।

রাজনৈতিক পরিস্থিতিরি এসব সমীরকরণ বলে দিচ্ছে আগামীতে আরো গভীর সঙ্কটের দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশ। নির্বাচন কেন্দ্র করে এই সঙ্কট ক্রমেই বাড়বে।

লেখক: দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত। (০৭-১১-২০১৮)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here