সিলেট-৩ আসনে সাধারন ভোটারের আগ্রহ এম এ সালামকে ঘিরে

0
232
  • কয়েক শত প্রবাসী দক্ষিণ সুরমায় ফিরতে প্রস্তুতি

সিলেট ব্যুরো:
সিলেট-৩ আসনে এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ব্যারিষ্টার এম এ সালাম। পাড়ায়, মহল্লায় চা-এর দোকান থেকে শুরু করে সকালের মিষ্টি রোদে বসে আড্ডা ও গল্পের বিষয় হচ্ছে ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচন। এর মাঝে প্রথমেই এম এ সালামের প্রসঙ্গ উঠে আসে সবার মুখে মুখে। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এম এ সালামকে ঘিরে যেন তরুণ থেকে শুরু করে বৃদ্ধ কারো আগ্রহের শেষ নেই। ভোটের কথা উঠলেই আলোচনার মেতে উঠেন এম এ সালামকে নিয়ে। ইতোমধ্যেই তিনি ভোটের রাজনীতির ঝড় তুলেছেন।

দীর্ঘদিন পর হলেও সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব পেয়ে মানুষের মাঝে আনন্দ ও আগ্রহের যেন অন্ত নেই। সবাই মনে করেন, এবার অন্তত নিজেদের একজন সন্তানকে ভোট দেওয়া যাবে। সুখে, দু:খে চাইলেই যাকে কাঁছে পাওয়া যাবে, যার কাছে সহজেই পৌছা যাবে তিনি হলেন, এম এ সালাম। দীর্ঘদিন থেকে এই আসনটি বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে টাকার কাছে জিম্মি। তাই ৫বার নির্বাচন করে মাত্র ১বার বিজয়ের দেখা মিলেছিল তাঁর। যিনি সিলেট-৩ আসনে সাধারণ মানুষকে প্রজা হিসাবেই মনে করেন। তবে মানুষ এখন অনেক সচেতন। তাই টাকার প্রজা হয়ে আর থাকতে চায় না কেউ। মানুষ চায় তাঁর আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তাই তারা মনে করেন নিজেদের যোগ্য সন্তান পাওয়া গেলে টাকার কাছে জিম্মি হবে কেন!

টাকা দিয়ে তিনি মনোনয়ন কিনবেন এবং টাকার বিনিময়ে ভোট করবেন এই ঘোষণা দিয়ে গত ১০ বছর যিনি ছিলেন রাজনীতি থেকে নির্বাসনে। দলের নেতাকর্মীদের সুখে, দু:খে ১০ বছরে তাঁকে কখনো দেখা যায়নি। এমনকি ১/১১-এর কুশিলব ফখরুদ্দিনের সাথে মিটিং ও ডিনারে যার ছবি ভেসে এসেছে সোস্যাল মিডিয়ায়। তাঁকে অন্তত এলাকার সাধারণ নেতাকর্মীরা ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে দেখতে চায় না। দলের চেয়ারপার্সন কারাবন্দি হওয়ার পরও যাকে রাজনীতির মাঠে কখনো দেখা যায়নি। তিনি যখন বলেন, টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনবেন, টাকা দিয়ে ভোট করবেন অন্তত এরকম প্রার্থী দেখতে চায় না সিলেট-৩ আসনের সাধারণ ভোটার।
এই আসনের মানুষ মনে করেন এবার তাদের নিজেদের সন্তানকে পেয়েছেন প্রার্থী হিসাবে। তাই তাদের দাবী বিএনপি যেন সাধারণ পরিবারের যোগ্য, সৎ ও রাজনীতিতে সর্বদা সক্রিয় ব্যক্তিত্ব বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার এম এ সালামকে যেন মনোনয়ন দেয়া হয়। তিনি নিরলসভাবে দেশে বিদেশে রাজনীতিতে সক্রিয়।

এলাকার সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, ব্যারিষ্টার সালাম তাদের নিজেদের সন্তান। বেড়ে উঠেছেন দক্ষিণ সুরমার আলো বাতাসে। তিনি শিক্ষা, মেধা ও মননে একজন যোগ্য প্রার্থী। যার মাঝে কোন অহঙ্কার নেই। ছাত্র জীবন থেকেই এলাকায় তরুণ ছাত্র নেতা হিসাবে মানুষের সাথে মিশতেন অকপটে। নিরহঙ্কারি, পরোকারী এলাকার জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন ছাত্র জীবনেই। উচ্ছ শিক্ষার জন্য লন্ডন পাড়ি দিলেও তিনি এলাকার সাথে নিবিড় সম্পর্ক রেখেছেন। সুখে, দু:খে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন লন্ডন থেকেও। তাই সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, সুযোগ পেলে তারা নিজেদের সন্তানকে ভোটটা দিতে চান।

প্রবাস থেকে কয়েক শত নেতা কর্মী দেশে যাওয়ার প্রস্তুতি:
ব্যারিষ্টার এম এ সালামের মনোনয়ন চুড়ান্ত হয়েছে, এই খবরের অপেক্ষায় লন্ডন, আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যসহ প্রবাসে কর্মরত কয়েকশত বিএনপি নেতাকর্মী। তারা দেশে ফেরার প্রস্তুুতি চুড়ান্ত করে রেখেছেন। সৎ, মার্জিত, ও কর্মনিষ্ঠ রাজনীতিক ব্যারিষ্টার এম এ সালাম দলের মনোনয়ন পেলেই তারা দেশে ফিরতে চান। ভোটের মাঠে এম এ সালামের পাশে থাকতে চান তারা। তারা মনে করেন, ব্যারিষ্টার সালাম বিজয়ী হলে অন্তত: তাদের সুখ, দু:খ উপলব্ধি করবেন অতি সহজে। সোনার চামচ মুখে নিয়ে জমিদার পরিবারে জন্ম নিলে কেউ সাধারণ প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের সুখ, দু:খ উপলব্ধি করার সুযোগ থাকে না। ব্যারিষ্টার সালাম এই উপলব্ধি থেকে মানুষের উপকারে আসতে পারবেন অতি সহজে। প্রতিদিনই তারা খোজ খবর রাখছেন দলীয় মনোনয়নের। কেউ কেউ বিমানের টিকেটও চুড়ান্ত করে রেখেছেন। ব্যারিষ্টার এম এ সালাম মনোনয়ন পেয়েছেন এই খবর পেলেই যাতে উড়াল দিতে পারেন সিলেট-৩ আসনে সেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন অনেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here